ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার কদমতলী ও পুরাতন বাজার এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে কসবা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনের নেতৃত্বে স্থানীয় আড়াইবাড়ি দরবার শরীফের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি স্থানীয় কদমতলী মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা চলছিল।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বিএনপির অপর একটি গ্রুপ কদমতলী এলাকায় আসলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় উভয়পক্ষ।
এ সময় পুরো কদমতলী এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মো. রাশেদ জানান, বিএনপির দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম জানান, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের কর্মসূচি ছিল। দুই পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের কথা বললেও, পরবর্তীতে সংঘর্ষে জড়ায়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।







