ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের চট্টগ্রাম অংশের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দান ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর নেতৃবৃন্দ।
রোববার সমাপনী সমাবেশ পরবর্তী এ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
এসময় তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্নতা শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্বও। একটি বড় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর সমাবেশস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের দায়িত্বেরই অংশ। আমরা চাই, যেকোনো গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব হোক।”
তিনি আরও বলেন, “লালদীঘি ময়দান চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এ স্থানটির সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। রাজনৈতিক কর্মসূচি শেষে নিজ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে দায়িত্বশীলতার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সম্ভব।”
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, নগর কর্মপরিষদ সদস্য ও কোতোয়ালী থানা আমীর আমির হোসাইন, জামায়াত নেতা মুহাম্মদ ফেরদৌসসহ নগর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এসময় নেতৃবৃন্দ লালদীঘি ময়দান, আশপাশের সড়ক ও সমাবেশস্থলের বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে অপসারণ করেন।
নগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, “জনগণের অধিকার ও ন্যায্য দাবির পক্ষে রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি নগরীর পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও জনদুর্ভোগের বিষয়েও আমরা সচেতন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”







