দেশের উত্তরাঞ্চলের চার জেলায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সময়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আরও বেশ কয়েকটি জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, যার ফলে প্লাবিত হতে পারে সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল।
শনিবার (২০ জুন) বন্যা সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।
বার্তায় বলা হয়, আগামী ৭২ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় ভুগাই-কংস ও সোমেশ্বরী এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময়ে নদীগুলো সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার অংশে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় নদীগুলো নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলার অংশে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম ও কংস নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে, অপরদিকে ভুগাই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীগুলোর পানি সমতল আগামী ৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময়ে নদীগুলো নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার অংশে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।







