নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ খান। তাঁর অভিযোগ, সরকার বারবার এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা জনমনে বিতর্ক ও অসন্তোষ তৈরি করছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন অধ্যাপক ফরিদ খান।
পোস্টে তিনি বলেন, সরকার প্রথমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এনটিআরসিএর পরিবর্তে ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগ ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে তীব্র সমালোচনা ও আন্দোলনের মুখে সরকার সেই উদ্যোগ থেকে সরে আসে।
এরপর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর কয়েক গুণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্তও নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
অধ্যাপক ফরিদ খান বলেন, মেধার মূল্যায়ন ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে যেখানে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর আরও কমিয়ে আনা উচিত, সেখানে কেন এর গুরুত্ব বাড়ানো হচ্ছে—তা বোধগম্য নয়। এ সিদ্ধান্তের পেছনে কার স্বার্থ রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই বুয়েট, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। সেখানে সমস্যা না থাকলেও চাকরির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
জনমত উপেক্ষা করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল বলেও মন্তব্য করেন অধ্যাপক ফরিদ খান। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেশের মানুষ মেনে নেবে না।
পোস্টের শেষাংশে তিনি সরকারের উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানান।







