কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও এক শিশু সন্তানকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক রোহিঙ্গার যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় আরেক সন্তানকেও গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেছানুল হক (৩৮) পালিয়ে গেছেন।
নিহতরা হলেন, শহীদা নুর ওরফে সুফিয়া (৩০) ও তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ শামীম। আহত বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪) চিকিৎসাধীন।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে এহেছানুল হক ধারালো দা দিয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলের ওপর হামলা চালান। এতে স্ত্রী সুফিয়া ও ছোট ছেলে শামীম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালছে।’







