জীবনকে মানবসেবা ও জনকল্যাণে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ১১ দলীয় জোটের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, “আমি জনগণের শাসক হতে চাই না, সেবক হতে চাই।”
রোববার রাতে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের হাজীপাড়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক নির্বাচনি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, ইসলাম কোনো ধর্মের ওপর জোরপূর্বক কিছু চাপিয়ে দেয় না। আমরা সবাই এই সমাজে একসঙ্গে বসবাস করি।”
তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছাত্র জীবন থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছি। আমৃত্যু মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।
এমপি নির্বাচিত হলে ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করবেন না জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি সংসদ সদস্য হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত গাড়ি, বাড়িসহ কোনো ধরনের ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করবো না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু ও ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করবো ইনশাআল্লাহ।”
রাষ্ট্র পরিচালনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা ক্ষমতায় গেলে নবী-রাসুল (সা.) প্রদর্শিত আদর্শ ও খলিফায়ে রাশেদিনের ন্যায় ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবো।”
ঠাকুরগাঁওকে একটি ফুলের বাগানের সঙ্গে তুলনা করে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “এই বাগানের প্রতিটি ফুল হলো মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান। সব ফুল মিলেই একটি সুন্দর, পরিস্ফুটিত ও সুগন্ধিময় বাগান গড়ে উঠবে।”
শেষে তিনি একটি শান্তিপূর্ণ, সম্প্রীতিময় ও উন্নত ঠাকুরগাঁও গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
সভায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি কফিলউদ্দিনসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।







