রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ দাবির আন্দোলনের সময় এক ছাত্রীকে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে সিঁড়ি দিয়ে নামিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।
তবে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার এ ঘটনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপিপন্থী অ্যাক্টিভিস্ট ও সমর্থকেরা। এর প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশ্ন তুলে ডাকসু নেত্রী জুমা লেখেন, “কোন মায়ের পয়দারে তোরা? আর যারা নারী সুরক্ষায় বিএনপিরে ভোট দিসিলি চুল ধরে টাইনা নামানো মাইয়ারে কি নারী লাগেনা তোদের?”
পোস্টে ফাতিমা তাসনিম জুমা লেখেন,“মেয়েদের মারতে মারতে চুল ধরে টেনে হিঁচড়ে সিড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ইভেন কোনো সন্ত্রাসী হইলেও তো একটা মেয়ের গায়ে এভাবে আঘাত করতে পারেনা পুলিশ।”
তিনি বলেন,“যেই ভিডিও দেখে যে কোনো সেন্সেবল লোকের রক্ত গরম হয়ে যাবে। ঠিক সেখানে কিছু কামলা গিয়ে জাস্টিফিকেশন দিচ্ছে ফ্লোর পার্টি ৫ টা অব্দি হওয়ায় বহিস্কার করে অধ্যক্ষ ঠিক করেছে।”
পোস্টের শেষে বিএনপি অ্যাক্টিভিস্টদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে ডাকসু নেত্রী লেখেন,“কোন মায়ের পয়দারে তোরা? আর যারা নারী সুরক্ষায় বিএনপিরে ভোট দিসিলি চুল ধরে টাইনা নামানো মাইয়ারে কি নারী লাগেনা তোদের?”
প্রসঙ্গত, অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন তারা। অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহরুন্নেসার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষার্থীদের হয়রানি, আবাসিক হলের নিরাপত্তায় অবহেলা, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং একাডেমিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়াসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। এরপর একইদিন সন্ধ্যা থেকে অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে ফের আন্দালন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে রাত ১১ টার দিকে পুলিশ এসে অবরুদ্ধ অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে।







