প্রথম অধিবেশন শেষ হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই করা ‘বাণিজ্যচুক্তি’ নিয়ে সংসদে আলোচনার জোর দাবি জানিয়েছেন সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে অনেক অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সময় নষ্ট ও অর্থের অপচয় করা হচ্ছে। অথচ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে দেওয়া হচ্ছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এক বিবৃতিতে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত অসম বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা আলোচনার প্রস্তাব করলে বিধির অজুহাতে আলোচনা হয়নি।
অথচ এই বাণিজ্য চুক্তি দেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের এ ধরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি করার কোনো এখতিয়ার নেই। তাছাড়া মার্কিন ফেডারেল কোর্ট পাল্টা শুল্ক আরোপ করা অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে, যার সূত্র ধরে মালয়েশিয়া চুক্তি বাতিল করেছে এবং ভারত স্থগিত করেছে। ফলে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার ও সংসদ এই বাণিজ্য চুক্তি বাতিলে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে, এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।
যৌথ বিবৃতিতে সই করেছেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশুসহ আরো অনেকে।







