কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার গহিন পাহাড় থেকে তিন ব্যক্তির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পাহাড় উত্তর শীলখালী এলাকার দুর্গম পাহাড় থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণ ও মানবপাচারকে কেন্দ্র করে এই হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে।
দের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন মুজিবুর রহমান (৩৮), নুর বশর (২০) ও রবিউল আউয়াল (১৯)। তিনজনই বাহারছড়া শীলখালী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র বলছ, তিনজনের বিরুদ্ধেই মানবপাচার ও অপহরণে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পাহাড়ের ওই এলাকা তাঁদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। আজ সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে তাঁদের ওই এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তা নিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণ ও মানবপাচারকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিহত তিনজনই অপহরণ ও মানবপাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন বলেন, পাহাড়ি এলাকা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও মাথায় জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণ ও মানবপাচার–সংশ্লিষ্ট বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
নিহত রবিউল আউয়ালের বাবা রুহুল আমিন বলেন, ‘রাতে মুজিব (নিহত মুজিবুর রহমান) আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায়। সকালে পাহাড়ে লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে গিয়ে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাই। কী কারণে এমন হয়েছে, বুঝতে পারছি না।’







