আ.লীগের ১৩৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

Post Image


বরগুনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুসহ জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ১৩৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে বরগুনা সদর থানায় মামলাটি করেন বিএনপি নেতা বাদল।         

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বরগুনা সদর থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘গত ২২ নভেম্বর মামলাটি এজাহারভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্তের দায়িত্ব এসআই সোহেল রানাকে দেওয়া হয়েছে।’

ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ছাড়াও মামলায় আসামি করা হয়েছে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু, বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর, বরগুনা পৌরসভার সাবেক তিন মেয়র ও ১৭ জন আইনজীবীসহ মোট ১৩৪ জনকে। এর আগে বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা করেছিলেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের জিআরও মাহবুব হোসেন। 

জানা যায়, বাদী মো. বাদল বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট, ২০১৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ও ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিলের তিনটি পৃথক ঘটনার ভিত্তিতে ২২ নভেম্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীরের নেতৃত্বে আসামিরা তাকে বরগুনায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তুলে চোখ বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন এবং দীর্ঘদিন ‘আয়নাঘরে’ আটকে রাখেন। পরে সেখান থেকে থানায় সোপর্দ করা হলে পুলিশ তাকে দুই দফায় মোট ৯ দিন রিমান্ডে নেয়।

বাদল অভিযোগ করেন, ‘আসামিরা আমাকে পুলিশ দিয়ে শাইখুল হাদিস মুফতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন রহমানীর সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছি—এমন মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করে। তাদের অত্যাচারের কারণে কয়েক বছর এলাকায় থাকতে পারিনি। আমি ৭ মাস জেলহাজতে ছিলাম। আসামিরা আমাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে জবানবন্দি দিতেও বাধ্য করে। আমাকে জঙ্গি, বিএনপির উগ্রপন্থির লোক হিসেবে অভিযোগ সাজিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসামিরা আমাকে যে পরিমাণ ক্ষতি করেছে তা ভাষায় বর্ণনার মতো নয়। তারা গানপাউডার দিয়ে আমার সাইকেল পুড়িয়ে দেয়, ফার্নিচারে আগুন লাগায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বোমা ফাটায়। অ্যাটমের নেতৃত্বে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফার্নিচার ভাঙচুর করে। আমাকে মারতে সাধারণ সম্পাদকের অফিসেও নিয়ে যাওয়া হয়। অ্যাটম হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে। এতদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় মামলা করতে পারিনি।’

মামলার বিষয়ে আসামি অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জুয়েল বলেন, ‘আমার বাড়ি পাথরঘাটায়। এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এমনকি বাদিকেও চিনি না।’ তিনি জানান, মামলায় ১ নম্বর সাক্ষী করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামী বরগুনা জেলা শাখার সেক্রেটারি মো. আসাদুজ্জামান আল মামুন এবং বরগুনা পৌর আমির এম.এ জলিলসহ বিএনপি নেতাদের।

এই বিভাগের আরও খবর

সারাদেশ

News Image

ফিলাডেলফিয়ায় বৈশাখী মেলা

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারডুবি, হাতিয়ার দুই জেলে নিখোঁজ

ভিক্ষা করে ছেলের চিকিৎসা করাইছি, এখন খোঁজও নেয় না: হাফেজ তাশরীফের বাবা

হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধর, সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

‘এই মুহূর্তে গণঅধিকার পরিষদ সরে গেলে বিএনপির ভিত নড়ে যাবে’

এক্সিলেন্ট গ্রুপের নতুন উপদেষ্টা হলেন ডব্লিউএইচআরও চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আমিন

আমরা নিরপরাধ, অভিযোগ প্রত্যাহার চাই : পলক

কর্ণফুলী নদীতে মিললো নিখোঁজ যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ

লাইভে এসে বিএনপির সমালোচনা, পুলিশ হেফাজতে নারী উদ্যোক্তা

সর্বাধিক পঠিত

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের সঙ্গে প্রবাসীদের মতবিনিময়

বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় বজ্রপাত নিরোধক স্থাপনের দাবি জামায়াতের

বিএনপির উদ্দেশে ফরহাদ: আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের চরিত্র কপি করবেন না

ঈশ্বরদীতে আমির হামজার মাহফিল ঘিরে থানায় স্মারকলিপি দিলো ছাত্রদল

হামে শিশুমৃত্যু রোধে জরুরি অবস্থা ঘোষণার দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

‘মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধ না থাকলে গেরুয়ার প্রভাব প্রতিহত করা কঠিন হবে’

গাজীপুরে অস্ত্র ও গাঁজাসহ বিএনপি নেতার ভাই-ভাতিজা আটক

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও তার ভাইকে কুপিয়ে জখম

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন প্রায় ৩৫ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী