চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনের নেতা আটক

Post Image

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘ শ্রমিক ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। বন্দর রক্ষা আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও শ্রমিক নেতা ইব্রাহিম খোকনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বন্দর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।


ইব্রাহিম খোকন ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর সমন্বয়ক এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের বন্দর শাখার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।


নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ জানান, র‍্যাবের একটি দল ইব্রাহিম খোকনকে আটক করে বন্দর থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই চলছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


বন্দর কর্তৃপক্ষের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা না দেওয়াসহ চার দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন বন্দরের সাধারণ শ্রমিক-কর্মচারীরা। ইব্রাহিম খোকন ও হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছিল। শুরুতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ব্যানারে কর্মসূচি শুরু হলেও পরবর্তীতে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর ব্যানারে আন্দোলনটি সর্বস্তরের শ্রমিকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।


গত ৩১ জানুয়ারি থেকে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে তিনদিন কর্মবিরতি পালনের পর মঙ্গলবার থেকে লাগাতার ধর্মঘট শুরু হয়। মাঝখানে নৌপরিবহন উপদেষ্টার আশ্বাসে দুদিন কর্মসূচি স্থগিত থাকলেও, শ্রমিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অভিযোগে গত রোববার থেকে পুনরায় অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়। তবে সোমবার সকাল ৮টা থেকে সেই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হলে বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে শুরু করে।


স্থিতিশীলতা ফেরার মুহূর্তে ইব্রাহিম খোকনকে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন, যখন আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, তখন শীর্ষ নেতাকে আটক করা প্রশাসনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে।


স্কপের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত রোববার পাঁচ শ্রমিককে গ্রেপ্তারের পর সোমবার আন্দোলনের সমন্বয়ককে আটকের বিষয়টি পরিকল্পিত উসকানি। বন্দর পরিস্থিতিকে অশান্ত রাখতে একটি মহল নেপথ্যে কাজ করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।


বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল, টিইউসি, বিএফটিইউসি, বিএলএফ, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ এবং সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। তারা অবিলম্বে আটক নেতার মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।


এই বিভাগের আরও খবর

সারাদেশ

News Image

ফিলাডেলফিয়ায় বৈশাখী মেলা

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনের নেতা আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির ১৪০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

রুমিন ফারহানাকে জাতীয় পার্টির সমর্থন

ঠাকুরগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল সেক্রেটারিসহ ১৪০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

কাফনের কাপড় পড়ে দাঁড়িপাল্লার গণমিছিল

একমাত্র আমরাই ইসলামের পক্ষে দাঁড়িয়ে লড়াই করছি : চরমোনাই পীর

১৭ বছর পর মুক্ত বাতাসে ফিরলাম: শাহজাহান চৌধুরী

‘মানুষ জানে বিএনপি কারো গোলামি করে না’

সর্বাধিক পঠিত

মালয়েশিয়ায় এলিট গ্লোবাল বিজনেস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত

ওসমান হাদির বাড়িতে চুরি

লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ২০

শিশির মনিরের সমাবেশে বক্তব্য দিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আমন্ত্রণ

কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

ফিলাডেলফিয়ায় বৈশাখী মেলা

মিয়া গোলাম পরওয়ারের পেশা ব্যবসা, রয়েছে কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি

জামায়াতকে হারিয়ে বিএনপির ভূমিধস বিজয়

রাউজানে ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

কিস্তি দিতে না পারায় গৃহবধূর আংটি-বদনা নিয়ে গেলো এনজিও