২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোটা (EQ-1 ও EQ-2) এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এসব কোটায় আবেদন করে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হলেও কলেজে ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।
রবিবার (৩০ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক দুই বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জারি করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একাদশ শ্রেণিতে ‘ভর্তি নীতিমালা-২০২৬’ এর উপধারা ৩.২ অনুযায়ী ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন আবেদনে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, এ কোটায় সিলেকশনপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গেজেটের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। যথাযথ প্রমাণপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তার ভর্তি বাতিল করা হবে। যে সকল শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধা কোটার বর্ণিত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও (যেমন: মুক্তিযোদ্ধার নাতি/নাতনী) আবেদন করবে তারা সিলেকশন পেলেও কলেজে ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।
অন্যদিকে শিক্ষা কোটা দুই ভাগে বিভক্ত। EQ-1 কোটায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানেরা আবেদন করতে পারবেন। আর EQ-2 কোটায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ২৮টি নির্দিষ্ট দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানেরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন সরকারি স্কুল, সরকারি কলেজ, সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সরকারি শিক্ষা অফিসে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানেরাও EQ-2 কোটায় আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব শিক্ষার্থী EQ-1, EQ-2 কোটায় বর্ণিত যোগ্যতা না থাকা স্বত্বেও আবেদন করবে, তারা সিলেকশন পেলেও কলেজে ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।







