চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ২২৬টি মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় মাদ্রাসাগুলোর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ফলাফল অনুযায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২২৬টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এ ছাড়া নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। বিদেশের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।
সব মিলিয়ে এ বছর ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনেই রয়েছে ২২৬টি প্রতিষ্ঠান।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। ফেল করেছেন ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ পয়েন্ট।
পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড।
এ বছর ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। বরিশাল বোর্ডে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সিলেট বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।







