শিক্ষা ক্যাডারের নতুন বদলি নীতিমালা, ২ বছরের আগে আবেদন নয়

Post Image

বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং সরকারি কলেজ শিক্ষকদের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালায় একই কর্মস্থলে ন্যূনতম দুই বছর চাকরি পূর্ণ না হলে বদলির আবেদন করা যাবে না। একই সঙ্গে বদলি প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত করতে তিন স্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে ‘বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক সই করা এ প্রজ্ঞাপন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ–সংক্রান্ত আগের সব নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে এবং প্রশাসনিক প্রয়োজন অনুযায়ী বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় যেকোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে যেকোনো পদে বা কর্মস্থলে বদলি বা পদায়ন করার পূর্ণ এখতিয়ার সংরক্ষণ করবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকসহ সব শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে একই কর্মস্থলে ন্যূনতম দুই বছর চাকরি করতে হবে। দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন করা যাবে না। তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতিতে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে সরকার বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় নিতে পারবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী উভয়ই চাকরিজীবী হলে একে অপরের কর্মস্থল বা নিকটবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন। অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার এক বছর আগে কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা সুবিধাজনক কর্মস্থলে বদলির আবেদন করলে, সংশ্লিষ্ট পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। তবে আবেদনকারীর পিডিএস (পারসোনাল ডেটা শিট) হালনাগাদ না থাকলে বা আবেদন অসম্পূর্ণ হলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

নতুন নীতিমালায় বদলির ক্ষেত্রে কড়াকড়িও আরোপ করা হয়েছে। বিভাগীয় মামলা চলমান বা কোনো অভিযোগ তদন্তাধীন থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মকর্তা বদলির আবেদন করতে পারবেন না। এ ছাড়া গত তিন বছরের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) সন্তোষজনক না হলেও বদলির আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে না। প্রেষণাদেশ মঞ্জুরের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করা হবে। সংযুক্তি বা ওএসডি করার একক ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকবে।

নীতিমালায় উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি কলেজগুলোর শূন্য পদে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষক পদায়নের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বদলি প্রক্রিয়াকে আরও সুনির্দিষ্ট ও স্বচ্ছ করতে তিন স্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে অঞ্চলভিত্তিক আঞ্চলিক কমিটি প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের বদলির আবেদন বাছাই ও আদেশ জারি করবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের নেতৃত্বাধীন কমিটি ঢাকা মহানগর ও দাপ্তরিক পদ ছাড়া সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের বদলির সিদ্ধান্ত নেবে। আর শিক্ষা সচিবের সভাপতিত্বে গঠিত মন্ত্রণালয় কমিটি অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং দপ্তর-সংস্থার বিভিন্ন পদের বদলি ও পদায়নের সুপারিশ এবং আদেশ জারি করবে।

সর্বশেষ খবর

সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে পিএসসির সঙ্গে আলোচনা চলছে

সাবিকুন নাহার তামান্নাকে অভিনন্দন জানালেন সাদিক কায়েম

মাস্টার্সের ফাইনাল পরীক্ষায় সিজিপিএ ৩.৮২ পেলেন ঢাবি ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী

এইচএসসির ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, যেভাবে জানবেন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী অংকুর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

চাকসুর এক বছর: ইশতেহার বাস্তবায়নে কতটা সফল নির্বাচিত শিবির সমর্থিত প্যানেল?

কম খরচে আইইএলটিএস কোর্স করাবে ছাত্রশিবির, আবেদন যেভাবে

সর্বাধিক পঠিত

দীর্ঘ যানজট, পায়ে হেঁটে কেন্দ্রে আসছেন অনেক পরীক্ষার্থী

বর্ষায় পানিতে তলিয়ে যায় পশ্চিম রাজগুরু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ

মামলার কারণে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছি না : শিক্ষামন্ত্রী

গৌরনদীতে এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের দায়ে দুই পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

যেসব কলেজে ভর্তি হতে নিষেধাজ্ঞা দিল মন্ত্রণালয়

তিনদিন নয়, একদিন অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে পিএসসির সঙ্গে আলোচনা চলছে

প্রাথমিকে শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরিক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

প্রথমবারের মতো ৮ বিভাগেই রাবির ভর্তি পরীক্ষা

পুলিশসহ ৩ বিসিএসে সুপারিশ পাওয়া সোহাগের নাম নেই ৪৯তম’র গেজেটে