নোয়াখালী–২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ। ফলে এ আসনে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন সাইয়েদ আহমদ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সমমনা ইসলামী দলগুলোর জোটে এনসিপি যোগ দেওয়ায় কৌশলগত কারণে আসনটি শরিক দলকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জামায়াত। কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অংশ হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ।
মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত। দলের সিদ্ধান্ত ও জোটের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। এতে আমার কোনো অখুশি নেই।
মাওলানা সাইয়েদ আহমদ আরও বলেন, আমি নিজে প্রার্থী হিসেবে যেভাবে কাজ করেছি, জোটের প্রার্থীর বিজয়ের জন্যও আমি এবং আমার দল সর্বোচ্চভাবে কাজ করবো। ইসলাম ও মানুষের সেবায় দল যেভাবে চায়, সেভাবেই ভূমিকা রাখতে চাই।
এদিকে জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। জামায়াতের প্রার্থী সাইয়েদ আহমদ মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও তিনিসহ জোটের সকল নেতাকর্মী আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। আমাদের লক্ষ্য একটাই- এই আসনে বিজয় অর্জন করা এবং এলাকার মানুষের ন্যায্য দাবি ও প্রত্যাশা জাতীয় সংসদে তুলে ধরা। ঐক্যের শক্তিতেই আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিধি অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গৃহীত হয়েছে।







