আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি ও কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমারখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম আনসার প্রামানিক।
দুই জনই বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে জেলা রির্টানিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন।
অপরদিকে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ৪ টার দিকে নুরুল ইসলাম আনসার প্রামানিকের সমর্থনে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে। বিএনপির দুইজন প্রার্থী হওয়ায় নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। নুরুল ইসলাম আনসার প্রামানিক বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেলে কি স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন। না কি প্রত্যাহার করবেন এই নিয়ে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) নির্বাচনী এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন।
এদিকে সাবেক সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি কেন্দ্রের অনুমোতি পেয়েই তার নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়মিত নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সাধারণ তৃণমূল পর্যায়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেননা দু'জন প্রার্থীর মনোনয়ন কেনায় জনমনে প্রশ্ন উঠছে কে হবে মূল ধানের শীষের কান্ডারী।
উল্লেখ্য গত ৩ নভেম্বর বিএনপির পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ২৩০ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর মনোনয়ন দেয়া হয়। সে সময় কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমিকে মনোনয়ন দেয়া হয়।
অপরদিকে মনোনয়ন প্রত্যাশী কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক কুমারখালী পৌরসভার মেয়র নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক মনোনয়ন বঞ্চিত হলে তার সমর্থকরা বিভিন্ন সময়ে কাফনের কাপড় পড়ে মিছিল, মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ মিছিল সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।







