চালককে মারধর ও কাউন্টারে হামলার জেরে নওগাঁ থেকে বগুড়া-ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটসহ দূরপাল্লা রুটের বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করায় নাজেহাল যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১০টার দিকে শহরের ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকদের অভিযোগ, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একতা পরিবহনের একটি বাস রাত ১টার দিকে শহরের ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছায়। বাসটি যাত্রী নামানো শেষে ঘুরানোর সময় বাসের হেডলাইটের আলো চায়ের দোকানে দাঁড়ানো কয়েকজন যুবকের চোখে লাগলে তারা বাসচালককে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও মারধর করে।
পরবর্তীতে বাসটি কাউন্টারে পৌঁছালে সেখানে ছাত্রদল নেতা সোহাগের নেতৃত্ব ১০-১৫ জন এসে কাউন্টার ভাঙচুরের চেষ্টা করে এবং বাসচালককে মারধর করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে বলে তারা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী শান্ত বলেন, রাতে যাত্রী নামানো শেষে গাড়ি ঘুরাতে গেলে ছাত্রদল নেতা সোহাগ, রিংকু এবং অন্তরের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন এসে বাবার ওপর হামলা চালায়। পরবর্তীতে কাউন্টারের সামনে গাড়ি রাখতে আসলে সেখানে এসেও তারা মারধর করে এবং কাউন্টার ভাঙচুর করতে চায়। এ ঘটনায় জড়িত সকলের বিচার দাবি করেন তিনি।
জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ওই বাসচালক আমাদের এক সহযোদ্ধাকে সজোরে গাড়ির ধাক্কা দিতে গিয়েছিল। এর প্রতিবাদ জানালে উল্টো বাসচালক হুমকি দেয়। ওই সময়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সবাই একতা বাসের কাউন্টারের দিকে ছুটতে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আমিও তাদের পিছু নেই।
এক পর্যায়ে কাউন্টারের সামনে দুই পক্ষের হাতাহাতি হতে লাগলে আমি বাধা দিয়েছি বলেও দাবি করেন তিনি।







