জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ফরিদপুরের নগরকান্দার আল হামজা (৩০), সদরের তানজিদ (২৯), সোহাগ (২৪), রোহান (২৬) ও আব্দুল্লাহ (২৬)। পাঁচবিবির তৌফিক হোসেন (২৬), জয়পুরহাট শহরের তাজুর মোড় এলাকার রোমান হোসেন (৩৯), শান্তিনগর মহল্লার রাজিব হোসেন (৪০) ও আল আমিন (৩৫)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা তার লোকজন নিয়ে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ এলাকায় যান। সেখানে বিএনপি প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানের ধানের শীষের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়। আহতরা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার অভিযোগ করেন, ‘স্বজন ও কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি জয়পুরহাট সরকারি কলেজ কেন্দ্রে বুথ দেখতে যান। এ সময় কলেজ গেটে ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা তাকে বাধা দেয় এবং হেনস্তা করে।
এ সময় তার লোকজন উদ্ধার করতে গেলে বিএনপি প্রার্থীর লোকজন সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের ওপর হামলা করে। হামলায় তার দেবরসহ কর্মীরা গুরুতর আহত হয়।
বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানের ছোট ভাই জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রশিদ প্রধান অভিযোগ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার ফরিদপুর জেলা থেকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে এলাকায় টাকা দিয়ে ভোট কিনছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তাদের কর্মী ও স্থানীয় জনতা বাধা দেয়। এ সময় তার পক্ষের বহিরাগত সন্ত্রাসীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা ও মারপিট করে।
এতে তাদের কয়েকজন কর্মী আহত হয়।
জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক বলেন, ‘আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত।







