মাদ্রাসায় হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ ৭৪ জনের নামে মামলা

Post Image

সাভারের আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় মাদ্রাসা পরিচালনা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনসহ ৭৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাহফিজুল কোরআনিল কারিম ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষে উপপরিচালক (প্রশাসন) সৈয়দ সানজিদ বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলাটি করেন।


আজ সোমবার আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার বিকেলে মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।


মামলার এজাহারে ইমাম হাসানকে প্রধান আসামি এবং জাকির হোসেনকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে। এজাহারে আরও ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।


বাদীর অভিযোগ, মাদ্রাসার মালিকানাধীন মার্কেট নিয়ে আসামিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইমাম হাসানের নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসা ও মার্কেটে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় মাদ্রাসার নিরাপত্তা ইনচার্জ মো. আলতাব হোসেন বাধা দিলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা মাদ্রাসার আসবাবপত্র, দরজা, জানালা ও প্রায় ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া মাদ্রাসার লকারে থাকা নগদ ২০ লাখ টাকা, প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি ল্যাপটপ এবং প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যের ১০টি কম্পিউটার মনিটর লুটের অভিযোগও করা হয়েছে। 


মাদ্রাসার উপপরিচালক (প্রশাসন) ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সানজিদ অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা জাকির হোসেন ও ইমাম হাসানের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা চালায়। তার দাবি, হামলাকারীরা মাদ্রাসার কম্পিউটার, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।


সৈয়দ সানজিদ আরও দাবি করেন, মাদ্রাসার সামনে ট্রাস্টের জায়গায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত একটি মার্কেটও এর আগে জোরপূর্বক দখল করে রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি সেখান থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়ার ক্ষোভ থেকেই হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।


তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ঢাকা জেলা তাঁতীদলের সভাপতি জাকির হোসেন। তিনি দাবি করেন, সৈয়দ সানজিদের সঙ্গে মাদ্রাসাটির কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি জোরপূর্বক মাদ্রাসাটি দখল করে রেখেছিলেন। জাকির হোসেন নিজেকে মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং তার ছেলেকে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী দাবি করে বলেন, সানজিদের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে সেখান থেকে বিতাড়িত করেছে।

এই বিভাগের আরও খবর

সারাদেশ

News Image

ফিলাডেলফিয়ায় বৈশাখী মেলা

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

মাদ্রাসায় হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ ৭৪ জনের নামে মামলা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি ফের রিমান্ডে

কোনো ম্যাচ না খেলেই যেভাবে সেমিফাইনালে ভারত-পাকিস্তান

‘চাঁদাবাজদের পুনর্বাসনে বিশেষ দানবক্স’ উন্মুক্ত হবে বিকেলে, হাসনাতের স্ট্যাটাস

ভারতে মসজিদ ভাঙা ঠেকাতে রাতেও পাহারা দিচ্ছেন মুসল্লিরা

চাঁদাবাজির সময় আটক রংপুর টেকনিক্যাল ছাত্রদল সভাপতি

কুড়িগ্রামে ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, পদ থেকে অব্যাহতি

যেসব এলাকায় আজ বিদ্যুৎ থাকবে না