ভিসি কার্যালয়ে বহিরাগত ছাত্রদল নেতার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ ও হট্টগোল হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিহত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আলোচনা চলাকালে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
সোমবার বেলা ১২টার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
রোববার ইয়াসিন আরাফাতের নিহতের ঘটনার বিচার ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যের কার্যালয়ে আলোচনা চলাকালে হঠাৎ সেখানে প্রবেশ করেন মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ও স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে আলোচনার সময় কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই বহিরাগত রাজনৈতিক নেতার উপস্থিতির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা।
উপস্থিত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে উপাচার্যের রুমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আলোচনা চলছিল। সেখানে একজন বহিরাগত রাজনৈতিক নেতা কার অনুমতিতে প্রবেশ করেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিষয়ে তার নাক গলানোর কোনো অধিকার নেই।
তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, আমি মূলত শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সহমর্মিতা ও একাত্মতা প্রকাশ করতেই এসেছিলাম। সকালে জানতে পারি শিক্ষার্থীরা ভিসি স্যারের সঙ্গে বসবেন। আমাদের লোকাল অভিভাবক, এমপি মজিবুর রহমান সরোয়ার আমাকে বলেছিলেন ভিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টি তাকে জানাতে। সে কারণেই আমি এসেছিলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সেখানে কেন এসেছিলেন, সে সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশীদ বলেন, তারা এখানে কেন এসেছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। তাদের আসার বিষয়ে আমাকে আগে থেকে কিছুই জানানো বা অবগত করা হয়নি।







