নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুদের ওপর পাশবিক নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর মহিলা বিভাগ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাব–এর সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, ‘আছিয়া হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছিলাম। যার কারণে তৎকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিচারের জন্য এক মাস সময় চেয়েছিলেন।’
তিনি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
কিন্তু সে বিচারের কার্যকারিতা কোথায়? সেই রায় যদি কার্যকর হতো তাহলে তাহিয়া-আমিনাসহ শিশুদের জীবন দিতে হতো না। আইন কার্যকর না হলে সেই আইনের কোনো মূল্য নেই।
সরকারের দায়িত্বের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘সরকার নীরব কেন? আপনি তো ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এই দায়িত্বটা কিভাবে পালন করছেন? আপনি ৪ স্তরের নিরাপত্ত্বার মধ্যে আছেন, কিন্তু দেশের নাগরিকরা কয় স্তরের নিরাপত্তা পাচ্ছে? নিজের ঘরে তো তারা নিরাপত্তা পেতে পারে। কিন্তু আপনি কেন তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্ত হচ্ছেন? এই ব্যর্থতার দায় আপনাকে এবং প্রশাসনকে বহন করতে হবে।
মানববন্ধনে অন্য বক্তারা বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুদের পাশবিক নির্যাতনের পরে হত্যা করা হচ্ছে। একটি দেশের মর্যাদা ও সম্মানের প্রতিক সেদেশের নারী ও শিশু সমাজ। কিছু মানুষ রূপী হায়নার লালসার কষাঘাতে সেই মর্যাদা আজ ভুলুণ্ঠিত। আমরা জাতি হিসেবে আজ লজ্জিত।







