যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের মামলায় গ্রেফতার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। এদিন মামুনকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইয়াউর রহমান কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় মামলা করেন। মামলার পর তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মামলা বাদী মোহনা একজন ফ্যাশন মডেল। ৫ মাস আগে আসামি মামুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়ে আসছিল। মামুন বিভিন্ন বয়স্ক মহিলাদের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত এবং নেশায় আসক্ত। মোহনা তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করলেই মারধর করে। বিয়ের পর থেকেই মামুন দোকান দেওয়ার জন্য তার কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করলে মোহনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মোহনার বাসায় মামুন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে এক কোটি টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। মোহনাকে তার বাবা-মার বাড়ি থেকে এই টাকা এনে দিতে বলেন।
তবে মোহনা অস্বীকৃতি জানালে, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করাসহ এলোপাথাড়ি কিল ঘুসি ও লাথি মারতে থাকেন। মারধরের সময় তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এতে তার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম হয় এবং ডান কানে নীলাফুলা জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে আহত করা হয়।







