শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতা ও শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর জবাবদিহির দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ সিজেপির সংসদ অভিযানকে কেন্দ্র করে তাদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি।
আজ সোমবার সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে শত শত ছাত্র রাজপথে নামলে পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে অনেকেই আহত হন।
বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়া ও ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের কাছাকাছি পৌঁছে যান। সংসদ ভবন থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে রাইসিনা রোডে পৌঁছালে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে ব্যাপক টিয়ারশেল ছোঁড়া হয়।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মোদি সরকারকে উল্লেখ করে একে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে অভিহিত করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লির কিছু অংশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। সিজেপির প্রধান সমন্বয়ক এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে তথ্য গোপনের চেষ্টা বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে, সংসদের বাইরে নিরাপত্তা বাহিনীর ফায়ারিং পজিশন নেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করে, যুবকদের ওপর গুলি না চালানোর আহ্বান জানায় সিজেপি।
বিক্ষোভের জেরে সংসদের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রোস্টেশন সাময়িক বন্ধ রাখা হলেও পরে কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও রাজীব চকের গেট খুলে দেওয়া হয়।
এ ছাড়াও চলমান উত্তেজনার মধ্যেই পরিবেশ ও শিক্ষাকর্মী সোনম ওয়াংচুক জানান, সরকার শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় নিলে বা সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করা হলে, আজই অনশন ভাঙবেন তিনি।







