বিশ্বকাপ ফুটবলে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের পর স্পেনকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, এই জয় শুধু স্পেনের ক্রীড়া সাফল্য নয়; বরং বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতির সমালোচনাকারী এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান নেয়া মানুষের কাছেও এটি আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। আলজাজিরা
আজ সোমবার দেয়া এক বিবৃতিতে ইরান জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতের বিরোধিতায় স্পেন সরকার যে অবস্থান নিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে। একই কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও স্পেন সরকার ও দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর খবরে বলা হয়েছে, দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের প্রশংসা করে বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি স্পেনের খেলোয়াড়দের সংহতি এবং ইরানের প্রতি দেশটির সমর্থন প্রমাণ করে যে স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদাবোধ স্পেনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
গালিবাফের ভাষ্য, স্পেনের ১-০ গোলের এই জয় শুধু দেশটির জনগণের হৃদয়েই আনন্দ আনেনি; বরং বিশ্বের বহু স্বাধীনতাকামী, সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী ও ন্যায়বিচারপ্রত্যাশী মানুষের কাছেও আনন্দের বার্তা হয়ে এসেছে।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইও স্পেনকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আগ্রাসন, গণহত্যা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে স্পেনের ধারাবাহিক অবস্থান এবং দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের আচরণ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও মূল্যবান।
ইরানের বক্তব্যে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেরও যোগসূত্র টানা হয়েছে। তেহরানের দাবি, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সমালোচনা এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতির বিরোধিতা করায় স্পেন সরকার আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপক সমর্থন অর্জন করেছে। এর প্রতিফলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখা গেছে বলে তাদের দাবি।
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলের নীতির প্রকাশ্য সমর্থক হিসেবে পরিচিত। এ কারণে ইসরায়েলের অনেক রাজনীতিক ও সমর্থকও বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।







