বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে জমজমাট প্রচারের পর এখন সর্বত্রই আলাপ চলেছে প্রার্থীদের মধ্যে কে এগিয়ে আছেন। বিএনপি ও জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থীর ভিড়ে আলাদা করে চোখে পড়ছেন, নাগরিক ঐক্যর সভাপতি কেটলি প্রতীকের মাহমুদুর রহমান মান্না। নানামুখি চাপ, বাধা ও আর অভিযোগের মধ্যেও তিনি বলছেন, শেষ পর্যন্ত মানুষের ভোটই কথা বলবে।
বগুড়া-২ ছাড়াও ঢাকা-১৮ আসন থেকে নির্বাচনের প্রচার চালাচ্ছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি ফেসবুকে ঢাকা-১৮ থেকে নির্বাচন না করার ঘোষণা দেন। এদিকে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৪২ হাজার ১৫৫ জন। শিবগঞ্জের ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসন বরাবরই প্রতিদ্ব›িদ্বতাপূর্ণ এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে মাহমুদুর রহমান মান্না ছাড়াও মূল প্রতিদ্ব›িদ্বতায় আছেন, বিএনপির মীর শাহে আলম ও জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান। মীর শাহে আলম বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত। আর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি।
এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার, ইসলামী আন্দোলনের জামাল উদ্দিন ও স্বতন্ত্র রেজাউল করিম তালু এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকা ও নিরাপত্তার অভাবে ৫ ফেব্র“য়ারি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে হেভিওয়েটদের এই ত্রিমুখী লড়াই এখন শিবগঞ্জের ভোটারদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে অনেকের মতে মূল লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে।
নির্বাচনি পথচলার শুরু থেকেই নানা বাধার মুখে পড়েছেন বলে দাবি মান্নার। তবুও সবকিছু পেরিয়ে তিনি এখন ভোটের লড়াইয়ে। হেভিওয়েট প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রকৃত লড়াই হওয়া উচিত মানুষের সমর্থন নিয়ে। জোরজবরদস্তির প্রতিযোগিতায় তিনি নেই। তবে সমর্থনের লড়াইয়ে জয়ের আশা করছেন।
তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে ভোট নিয়ে যে অভিযোগ ও অনাস্থা তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে মানুষ এখন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়। নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বড় কোনো শঙ্কা দেখছেন না। তবে কিছু এলাকায় নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর, নারী কর্মীদের হুমকি এবং বিচ্ছিন্ন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন।







