কুষ্টিয়া-১ আসনে জামায়াতের নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারনায় বাধা ও ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতিকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারী) দৌলতপুর কুষ্টিয়া ১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বেলাল উদ্দিনের নির্বাচনী প্রচারণার সময় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি খাজা আহাম্মেদ সহ জামায়াতের দুই নারী কর্মীকে বাঁধা প্রদান সহ হেনস্থা করার ঘটনা ঘটেছে।
এবিষয়ে খাজা আহাম্মেদ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সেখানে উল্লেখ করেন, আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে দশটার সময় ফিলিপনগর ইউনিয়নের পূর্ব বাহিরমাদি গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বাচ্চু মোল্লার কর্মী লিটন, নরশেদ, মিতুল সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন নির্বাচনী প্রচারণার কাজে বাঁধা প্রদান করে এবং নারী কর্মীদের উদ্দেশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন এঘটনার খবর পেয়ে আমি দুজনকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে তারা আমাদের উপর চড়াও হয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ছুটে আসে। এবিষয়ে তাৎক্ষণাত থানায় খবর দিলেও থানা পুলিশ কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেনি বলেও উল্লেখ করেন।
দৌলতপুর কুষ্টিয়া-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বেলাল উদ্দীন বলেন, আমার নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের বাঁধা এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে, এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং আমি এঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এবিষয়ে বিএনপির প্রার্থী রেজা আহাম্মেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, লিটন ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জামায়াতের কর্মীরা ওই এলাকায় ভোট চাইতে গেলে তারা বলে আমরা বিএনপি করি আমাদের এখানে ভোট চাইতে এসেছেন কেন? এই নিয় তর্কবিতর্ক হয়েছে শুনেছি, তিনি আরো বলেন খাজা নামের ওই ছেলে পঞ্চাশটি মটরসাইকেল নিয়ে এসে লিটনের বাড়ি ভাংচুর করেছে। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার কথা তবে আমি যশোর থেকে ফিরছি তাই সঠিক বলতে পারছি না।
তবে যুবদল নেতা লিটনের বাড়ি ভাংচুরের সত্যতা এই রিপোর্ট লেখা প্রর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইয়ারুল ইসলাম বলেন, এধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি, যেটা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট দেওয়া হয়েছে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।







