আ.লীগের সঙ্গে ‘আঁতাত’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জামায়াত আমিরের চ্যালেঞ্জ

Post Image

আওয়ামী লীগের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কথিত ‘আঁতাত’ ও ক্ষমা করে দেওয়ার অভিযোগকে সরাসরি অসত্য এবং রাজনৈতিক অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান । তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, কোনো ফোরামে তিনি আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার কথা বলেননি; বরং কেউ প্রমাণ দিতে পারলে তিনি জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন । একই সাথে বিরোধী দলের ওপর গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রমাণ করারও আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিরোধী দলের প্রতি এভাবে ইঙ্গিত না করে উনি খোলাসা করে বলুন। আমরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছি—কোথায়, কখন, কার সাথে, কীভাবে আঁতাত হয়েছে তা প্রমাণ করুন । প্রধানমন্ত্রী হয়ে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এভাবে ঢালাও কথা বলা অন্যায়। সাহস থাকলে প্রমাণ উপস্থাপন করে আমাদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন।’

সীমান্ত দিয়ে টাকা ও অস্ত্র আসার অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় যদি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র, টাকা কিংবা মাদক প্রবেশ করে, তবে সেই ব্যর্থতা সরকারেরই। এমন ব্যর্থতার দায়ে সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার বিষয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তির স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘গত ১২ আগস্টের এক সংবাদ সম্মেলনে আমি বলেছিলাম—ব্যক্তিগতভাবে আমরা কারও ওপর প্রতিশোধ নেব না; তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পরিবার যদি আইনের আশ্রয় নেয়, আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। অথচ একটি নির্দিষ্ট চ্যানেল আমার বক্তব্য বিকৃত করে ফটোকার্ড ছড়িয়ে দেয় যে জামায়াত আমির আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমার ওই ২২ মিনিটের গোটা বক্তব্যে একবারের জন্যও ‘আওয়ামী লীগ’ শব্দটি উচ্চারণ করিনি । আজও আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, কোনো গণমাধ্যম যদি দেখাতে পারে যে আমি আওয়ামী লীগ শব্দ উচ্চারণ করে তাদের ক্ষমা করার কথা বলেছি, তবে আমি নিজে ক্ষমা চাইব ।

উল্টো অন্যান্য রাজনৈতিক দলের দিকে ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের ডিও লেটার দিয়ে পদ-পদবি ও পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। অথচ দোষ চাপানো হচ্ছে জামায়াতের ওপর। একে তিনি ‘ঠাকুরঘরে কে রে, আমি কলা খাই না’ প্রবাদের সঙ্গে তুলনা করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

জুলুমের একদিন শেষ হবে, ইনশাআল্লাহ: শিবির সভাপতি

মামলা হলে আমাকে যেন প্রধান আসামি করা হয় : রুমিন ফারহানা

জামায়াত সমর্থন না দিলে একানব্বইয়ে বিএনপির রাজনীতি শেষ হয়ে যাওয়ার কথা: দিলারা চৌধুরী

ভারতের আসামে মুসলিমদের ঘরবাড়ি ও মসজিদ উচ্ছেদের ঘটনায় জামায়াত আমিরের উদ্বেগ

আ.লীগের সঙ্গে ‘আঁতাত’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জামায়াত আমিরের চ্যালেঞ্জ

এক টাকায় চার লাউ, অথচ ঢাকায় ৪০ টাকা পিস: সিন্ডিকেট নিয়ে ক্ষোভ ডাকসু ভিপির

একদিকে সিন্ডিকেট করে কৃষকদের পথে বসাবে, অন্যদিকে কৃষক কার্ডের গল্প শোনাবে

আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলির ঘটনায় জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সরাইলে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

২ হাজার টাকার ফ্যামিলি কার্ড নিতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করবে আদালত’

রাজনীতি নিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় সাকিব

মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা এমপি হানজালার

দেশের সীমান্তের মানুষগুলোর ফুড সেফটি নেই : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ওলামা দলের নেতাসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্টের আগে

যে মুখ দিয়ে মাকে চাকরি হয়েছে বলেছিলাম, সেই মুখে কীভাবে বলব— ‘মা ভেরিফিকেশনে আটকাই দিছে’

প্রজ্ঞাপনের পরেও প্রধানমন্ত্রীর আগে ‘মাননীয়’, জুলকারনাইন লিখলেন— একটু বিব্রতকর না?