রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নিয়োগসংক্রান্ত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন বিশেষায়িত ম্যাগাজিন জবানের সম্পাদক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট রেজাউল করিম রনি। বিটিভিতে নিয়মিত যাতায়াত, অনুষ্ঠান করা এবং নিয়োগ নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রনি লেখেন, ‘এই বিষয়ে আমি পরিষ্কার করে বলেছি। আমি বিটিভিতে রেগুলার যাই ৫ তারিখের পর থেকেই। প্রোগ্রাম করতে যাই। এখানে আমার নামে রুম আছে এটা আমি ছাড়া জাশি-এনসিপির সবাই জানে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘এরা জাতীর সামনে অবলীলায় মিথ্যা কথা বলতে থাকে....’
রাজনীতি প্রসঙ্গে রনি বলেন, ‘আপনি চাইলেও এদের রাজনীতিতে ফেরাতে পারবেন না। এরা মনে করে উপরে আছে আল্লাহ আর নিচে ফেসবুক....’
নিজের বক্তব্যে ‘ন্যারেটিভ, পারসেপশন, গুজব’ শব্দগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, ‘ফলে আমি যে শব্দগুলো ( ন্যারেটভি, পারসেপশন, গুজব) দিয়ে তাদের চিহ্নিত করি সেগুলাকে তারা ভয় পায়। তাদের রাজনীতি হলো অন্যের বক্তব্যে বাগড়া দিয়ে গুজবকে সত্যে পরিণত করতে চেষ্টা করা।’
বক্তব্য শেষ করতে বিভিন্ন বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ তুলে রনি লেখেন, ‘আমি প্রতিটি পদে পদে দেয়া বাধা পেরিয়ে অবেশেষে আমার বক্তব্যটা শেষ করেছি। এটা কতটা বিরক্তিকর তা আপনাদের বলে বুঝাতে পারবো না...’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘সব কিছুই কাফফারা থাকে। এটা গণ-অভ্যুত্থানের কাফফার ছাড়া আর কি বলবো।’
এর আগে একই দিন আরে পোস্টে ‘জাশি-এনসিপি’কে ঘিরে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যও করেছেন।
তিনি লেখেন, ‘দেশ চালায় বিএনপি। কিন্তু আমাকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগ দিয়ে বেড়ায় জাশি-এনসিপি। বিষয়টা খুব মজার, অবশ্যই ব্যাপক মজার।’
তিনি আরও লেখেন, ‘বিরাট সৌভাগ্য আমার। আমার চাকরি নিয়ে আমার চেয়ে বেশি টেনশন তাদের। বাংলাদেশে আমার মতন সৌভাগ্যবান কয়জন আছে?’
পোস্টের আরেক অংশে রনি লেখেন, ‘ওরা যেমন সকাল-বিকাল ফেবুতে সরকার গঠন করে ফেলে, তেমনি আমাকেও জায়গায়-বেজায়গায় নিয়োগ দিয়ে বেড়ায়। এইসব দেখে আমার এখন একটাই প্রশ্ন, মানুষ পাগল হলে কি জাশি-এনসিপি করে, নাকি জাশি-এনসিপি করে পাগল হয়....? উত্তর আমি জানি না।’
পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন- সেটাই উত্তর।’







