ইসলামী সাত দলের ঐক্য উদ্যোগের আড়ালে জামায়াতে ইসলামী থেকে কওমি অঙ্গনের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রশিবিরের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া বর্তমানে মালয়েশিয়ায় পিএইচডি করছেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নো বিএনপি, নো জামায়াত, নো আওয়ামী লীগ—কওমি অঙ্গন আলাদা।’ ইসলামী সাত দলের ঐক্য উদ্যোগকে কেন্দ্র করে কারা, কীভাবে এবং কেন এই রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়ার দাবি, জামায়াতের সঙ্গে কওমি অঙ্গনের কোনো গোষ্ঠী যাতে না থাকে, সেটিই এই উদ্যোগের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। তাঁর মতে, জামায়াতের সঙ্গে ইসলামপন্থী দল ও ব্যক্তিদের অবস্থান সরকারের জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
তিনি আরও লেখেন, জামায়াতকে অন্য রাজনৈতিক ও ইসলামপন্থী শক্তিগুলোর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারলে সরকারসহ বিভিন্ন পক্ষ লাভবান হবে। তাঁর অভিযোগ, বামপন্থীদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উপযুক্ত সময় হিসেবে বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে।
পোস্টে কওমি অঙ্গনের আলেমদের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের অবস্থানের মাধ্যমে তাঁরা বাংলাদেশের মুসলমানদের বড় ধরনের ক্ষতি করছেন, যদিও বিষয়টি তাঁরা নিজেরাও বুঝতে পারছেন না।
তবে পোস্টের শেষাংশে কওমি অঙ্গনের ব্যক্তিদের জন্য শুভকামনা জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘তবুও তাঁদের জন্য শুভকামনা রইল, এর মাধ্যমে যদি বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।’
সম্প্রতি কওমি ধারার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দলকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হেফাজত আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এর পরই শুরু হয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা সমালোচনা।







