‘প্রতিমন্ত্রী, সচিব, উপসচিবের পর এবার গণ অধিকার পরিষদ থেকে সহকারী সচিব দরকার’, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লাকে ইঙ্গিত করে এমন মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা।
তিনি বলেছেন, ‘বিন ইয়ামিন ভাই মূলত সরকারকে মেসেজ দিতে চাচ্ছেন, পরিষদ থেকে একটা সহকারী সচিব দরকার।’
গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে ফাতিমা তাসনিম জুমা লেখেন, “বিন ইয়ামিন ভাই মূলত সরকারকে মেসেজ দিতে চাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী, সচিব, উপ-সচিবের পর এখন পরিষদে একটা সহকারী সচিব দরকার।”
প্রসঙ্গত, বিন ইয়ামিন মোল্লার সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি শহীদ ওসমান হাদি এবং ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল-জাবের প্রসঙ্গ টানেন। সেই বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে ফাতিমা তাসনিম জুমা এসব কথা বলেন।
সেই বক্তব্যে বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, “জাবের নামে একটি ছেলেকে আমি শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে চিনেছি। আপনারা কি কেউ তাকে এর আগে চিনতেন? আমরা জানতামও না, ইনকিলাব মঞ্চে শহীদ ওসমান হাদির সদস্যসচিব হিসেবে আরেকজন আছেন। ছেলেটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ করছে। এটা খুব ভালো বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, “কিন্তু সেটি করতে গিয়ে বাংলাদেশের সরকারের একজন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং জুলাই আন্দোলনের জন্মদাতাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজনকে নিয়ে তুই-তোকারি করছে। বিষয়টি আমাকে ব্যথিত করেছে।”
বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, “জাবেরের বয়স কম, সে হয়তো এখনো রাজনীতি শিখছে। হয়তো অনেকের ফাঁদে পা দিয়ে অনেক ভুল করছে। তার উদ্দেশে বলব, প্রিয় জাবের, শহীদ ওসমান হাদি যখন জীবিত ছিলেন, তখন তাঁকে জুলাই আন্দোলনের শক্তিগুলোর প্রতি এভাবে তুই-তোকারি করে কথা বলতে শুনিনি। ৫ আগস্টের পর আমি বেশির ভাগ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি মধুর ক্যানটিনের ভেতরে-বাইরে সংবাদ সংগ্রহ করতাম। ইনকিলাব মঞ্চও সেখানে সংবাদ সম্মেলন করত। অনেক সময় ঢাবিতে আমরা হাতে হাত ধরে একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। তাই ওসমান হাদির বক্তব্যের মধ্যে জুলাই আন্দোলনের শক্তিগুলোর প্রতি এ ধরনের আচরণ দেখিনি।”







