ভারতের কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে তার মরদেহ দেশে প্রবেশ করে। সেখান থেকে মরদেহ ঢাকায় নেওয়া হবে। জানাজা শেষে নেওয়া হবে চট্টগ্রামের রাউজানে তার গ্রামের বাড়িতে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান মরদেহ দেশে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা বেনাপোলে মরদেহ গ্রহণ করেন। তিনি জানিয়েছেন, ঢাকায় জানাজা শেষে মরদেহ চট্টগ্রামের রাউজানে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন করা হবে।
৪৮ বছর বয়সী রোটন গতকাল শনিবার সকাল ৭টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে মারা যান। তিনি ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুর ছয় দিন আগে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী।
রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। চিকিৎসার জন্য দুই বছরের বেশি সময় ধরে তিনি কলকাতায় অবস্থান করছিলেন।
ছাত্রলীগের রাজনীতির পর রোটন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। ২০২১ সালে তাকে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়।







