ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুই কর্মীর জুতা থেকে ৮০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় ওই দুই কর্মীকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—এয়ারক্রাফট টেকনিক্যাল হেলপার (এটিএইচ) মানিক মিয়া ও মিজানুর রহমান।
সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এদিন সিআইআইডির কর্মকর্তারা ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন।
দুবাই থেকে আসা ইমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (ইকে-০৫৮২) রানওয়ের যে স্থানে অবস্থান করছিল, সেখান থেকে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতরে ‘বিশেষ কায়দায়’ লুকানো ৮০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
প্রতিটি বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন প্রায় ৯ কেজি ৩৪০ গ্রাম। এসব সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
সিআইডি বলছে, বিমানকর্মীদের জুতায় স্বর্ণবার লুকিয়ে চোরাচালানের সঙ্গে কারা জড়িত, কোথা থেকে এল এবং কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
সাড়ে ৪ কেজি সোনাসহ মালয়েশীয় আটক
এদিকে এক মালয়েশীয়র কাছ কাছ থেকে সাড়ে চার কেজি ওজনের নয়টি সোনার বার জব্দ করেছেন ঢাকা কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা।
রোববার সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার রাত পৌনে ২টায় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রীর কাছ থেকে এসব সোনা জব্দ করা হয়। ফ্লাইটটি কুয়ালা লামপুর থেকে ঢাকায় আসে।
আটক ব্যক্তির নাম ইয়াং ডন সিউ। ৪৩ বছর বয়সি ব্যক্তির কাছ থেকে এক কেজি ওজনের চারটি এবং ১০০ গ্রাম ওজনের পাঁচটিসহ মোট নয়টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ বলছে, গোয়েন্দা তথ্য থাকায় ফ্লাইট থেকে ওই যাত্রী নামার পর থেকে নজরদারি রাখা হয়। তিনি ব্যাগেজ সংগ্রহ করে যখন গ্রিন চ্যানেল-১ পার হচ্ছিলেন, তখন গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে তার শরীর তল্লাশি করা হয়।
সোনার বারগুলো একটি কালো কাপড়ের বেল্টে মোড়ানো অবস্থায় যাত্রীর শার্টের নিচে লুকানো ছিল জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোনার বারগুলোর মান ২৪ ক্যারেট; যার মূল্য আনুমানিক প্রায় আট কোটি টাকা।
কাস্টমস হাউজ বলছে, আট ব্যক্তি কোনো ধরনের ব্যাগেজ ঘোষণা দেননি এবং তার কাছে থাকা সোনার কোনো নথি বা দলিলাদি দেখাতে পারেননি।
ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ।







