ইন্দোনেশিয়ার কাছে পাত্তাই পেল না বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই হাফডজন গোল হজম করে হামজার দল। অপেক্ষা ছিল গোলের ব্যবধান কত বাড়বে! ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ। অবশ্য ইন্দোনেশিয়ার জালে ২ গোল দিতে পেরেছে বাংলাদেশ। ফিফা আসিয়ান কাপে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে বিদায় হয়ে গেছে আগেই। তবে শেষ ম্যাচটায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশা করতেই পারতো বাংলাদেশের সমর্থকরা।
১১ মিনিটেই ম্যাচে লিড নেয় স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। ডান দিক দিয়ে ওলে রোমেনি বাংলাদেশের শুকি ইতোফুসাকে কাটিয়ে বক্সে বল ফেলেন। মিচেল বাকের দ্রুতই সেই বলে পা চালান। তারিক কাজী আর সাদ উদ্দিনের পাশ দিয়েইবল ফাঁকি দেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণকে।
২০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইন্দোনেশিয়া। ৩২ মিনিটে ইন্দোনেশিয়া ব্যবধান ৩-০ করে রিজকি রিধোর গোলে। আবার সেই রোমেনি। কখনো ডান দিক দিয়ে কখনো বাম দিক দিয়ে বাংলাদেশের রক্ষণ তছনছ করা রোমেনি এবার ডান দিক দিয়ে ঢুকে ক্রস ফেলেন বক্সে। তারিক কাজী ও শুকি ইতোফুসা ছিলেন রিধোর এক গজের মধ্যে। কেউ বাধা দিতে পারেননি। বক্সের কোনা থেকে ডান পায়ে গড়ানো শটে গোল করেন রিধো।
৩৬ মিনিটে গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। শুকির ক্রসে শাহরিয়ার ইমনের হেড জালে জড়ায় বল। ব্যবধান ৩-১ হয়। তবে পরের মিনিটেই মিচেল বাকের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে গোলের ব্যবধান ৪-১ করে দেন। ৪৩ মিনিটে মিচেল নিজের চতুর্থ গোল করেন।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে ষষ্ঠ গোল হজম করে বাংলাদেশ। কালভিনের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন জাস্টিন হাবনার।
দ্বিতীয়ার্ধে ভালোই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশ। ৯০ মিনিট পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়াকে গোল করতে দেয়নি।
কিন্তু ৯০ মিনিটে সেই প্রতিরোধ ভেঙে দিলেন লুকে ভিকেরি। তার গোলে ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে যায় ৭-১ ব্যবধানে। তার পরপরই বাংলাদেশের ফারহান আলি ওয়াহিদ গোল করে ব্যবধান ৭-২ করেন। ইনজুরি সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে অষ্টম এবং এরপর আরও এক গোল হজম করে বাংলাদেশ। শেষ হয় ৯-২ ব্যবধানে হেরে।







