২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জিতে শুধু ইতিহাসই গড়েনি স্পেন, আর্থিক দিক থেকেও পেয়েছে বড় পুরস্কার। আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতা স্পেন ফিফার কাছ থেকে পেয়েছে রেকর্ড ৫ কোটি মার্কিন ডলার প্রাইজমানি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা।
ফাইনালে হেরে রানার্সআপ হওয়া আর্জেন্টিনাও বিশাল অঙ্কের অর্থ পেয়েছে। লিওনেল মেসিদের প্রাপ্তি ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০৬ কোটি টাকার সমান।
শুধু ফাইনালিস্ট দু’দলই নয়, টুর্নামেন্টের সেরা চার দলের জন্যও ছিল উল্লেখযোগ্য আর্থিক পুরস্কার। তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ইংল্যান্ড পেয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা। আর চতুর্থ হওয়া ফ্রান্সের প্রাপ্তি ২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকা।
এবারের ৪৮ দলের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফিফা মোট ৮৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রাইজ ফান্ড ঘোষণা করে। সংস্থাটির ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ প্রাইজমানি। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এবার মোট পুরস্কারের অর্থ প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশ নেয়া প্রতিটি দলই প্রস্তুতি ভাতা ও অংশগ্রহণ বাবদ ন্যূনতম ১ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার পেয়েছে। এরপর দলগুলোর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নকআউট পর্বের বিভিন্ন ধাপে ওঠার জন্য ধাপে ধাপে অতিরিক্ত প্রাইজমানি যোগ হয়েছে। ফলে যত দূর পর্যন্ত কোনো দল এগিয়েছে, তাদের আর্থিক প্রাপ্তিও তত বেড়েছে।
তবে ফিফা যে অর্থ দেয়, সেটি সরাসরি খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেওয়া হয় না। বিশ্ব ফুটবারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাছে প্রাইজমানি হস্তান্তর করে। এরপর প্রতিটি ফেডারেশন তাদের নিজস্ব নীতিমালা, খেলোয়াড়দের সঙ্গে করা চুক্তি এবং আর্থিক পরিকল্পনা অনুযায়ী সেই অর্থ খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, বোনাস এবং দেশের ফুটবল উন্নয়ন কার্যক্রমে বণ্টন করে।







