ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদির। তিনি বলেন, আমি যখন ভুক্তভোগী হিসেবে প্রশ্ন করলাম তখন কেন আপনার (সরকার) ব্যাংক হিসাব তলব করার কথা মনে হলো? অবকোর্স (অবশ্যই) কি করবেন করেন। সব কিছু ঠিকঠাক আছে।
আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। আজ বুধবার ব্যাংক হিসাবের তথ্য ও লেনদেনের বিবরণ চেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ। দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় সালমান মুক্তাদিরের হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম (এওএফ), গ্রাহকের পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্য (কেওয়াইসি) ও হিসাব বিবরণী (স্টেটমেন্ট) দিতে বলা হয়েছে।
সরকারের উদ্দেশে সালমান মুক্তাদির বলেন, চুক্তিপত্র লাগবে দিলাম। লেটার লাগবে দিলাম। ট্যানজেকশন লাগবে দিলাম। এগ্রিমেন্ট লাগবে দিলাম। অংশীদারিত্ব লাগবে দিলাম। তারপর আর কী করবেন?
মামলার বিষয়ে সালমান মুক্তাদির বলেন, আমি তো মামলা করতে গেলাম, কেন হয়নি আপনি কাকে বলে নিউজ মিডিয়াকে জিজ্ঞেস করছেন। মামলা কী ফেসবুকে এসে দেব। মামলা তো বহুত হয়েছে। কয়টা সামলেছেন আপনারা (সরকার)?
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়। দুর্বৃত্তরা তার কার্যালয়ে ঢুকে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।
গত শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের কার্যালয়ে এই হামলা চালানো হয়। হামলার পর রাতেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেন সালমান মুক্তাদির। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ভিডিওটা শুধু খুবই স্পেশালি বানানো আমাদের যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, উনার জন্য। আপনি প্লিজ কোনো টেনশন নিবেন না, দিস ইজ নরমাল ইন বাংলাদেশ।’
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সালমান মুক্তাদির প্রথমে অভিযোগ করেন, বিএনপির লোকজন চাঁদা চেয়েছিল, যদিও পরে তিনি বলেন, তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়নি।







