সুনামগঞ্জে সার্বিকভাবে নদ-নদীর পানির স্তর কমতে শুরু করেছে। তবে জেলার ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৯টার বন্যা পরিস্থিতি সংক্রান্ত বুলেটিনে এসব তথ্য জানিয়েছে পাউবো।
বুলেটিন অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির স্তর সকাল ৯টায় ৭ দশমিক ৩৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ০ দশমিক ৪৩ মিটার নিচে। আগের দিন সন্ধ্যা ৬টায় একই পয়েন্টে পানির স্তর ছিল ৭ দশমিক ৫০ মিটার।
লাউরেরগড় পয়েন্টে যাদুকাটা নদীর পানির স্তর ৭ দশমিক ০৩ মিটার, যা বিপৎসীমার ১ দশমিক ০২ মিটার নিচে রয়েছে।
অন্যদিকে ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির স্তর ৮ দশমিক ৭৬ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে নদীর পানি বিপৎসীমা (৮ দশমিক ৭০ মিটার) অতিক্রম করে ০ দশমিক ০৬ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগের দিনের তুলনায় এ পয়েন্টেও পানির স্তর কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
দিরাই পয়েন্টে কালনী নদীর পানির স্তর ৬ দশমিক ০৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ০ দশমিক ৫০ মিটার নিচে রয়েছে। এছাড়া জগন্নাথপুর ও সোলেমানপুর পয়েন্টে যথাক্রমে ৬ দশমিক ৫১ ও ৬ দশমিক ৫৭ মিটার পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এসব পয়েন্টে বিপৎসীমা নির্ধারিত না থাকায় তুলনামূলক অবস্থার তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলাজুড়ে বৃষ্টিপাতও কমেছে। এ সময় সুনামগঞ্জে ৫ মিলিমিটার, লাউরেরগড়ে ২ মিলিমিটার, ছাতকে ৯ মিলিমিটার এবং দিরাইয়ে ৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, জেলার অধিকাংশ নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে কমলেও ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। ফলে ওই এলাকার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।







