যশোরের শার্শায় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগ ওঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে প্রতিষ্ঠানের ওই শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
শনিবার (৯ মে) সকালে শার্শা থানার ওসি গ্রেপ্তহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত শেষে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ও একই প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন।
তদন্ত সূত্র জানায়, শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। তার পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার পর কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন গোপনে মেয়ের উত্তরপত্র সংগ্রহ করেন। পরে প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীর সহায়তায় উত্তরপত্রের কিছু অংশে সংশোধন করে তা আবার বোর্ডে জমা দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হলে এক পর্যায়ে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক সত্যতা মেলায় দুজনকে আটক করা হয়।
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান বলেন, পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।







