বিএনপি ছেড়ে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

Post Image

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী বাজারে দাঁড়িপাল্লা মার্কার এক নির্বাচনি সভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামে যোগ দেন।

যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন— পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুল হক ভুলু, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তফা আহমেদ, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু ছৈয়দ এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আহমেদ। এছাড়াও, পালংখালী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী উখিয়া–টেকনাফ-৪ সংসদীয় আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী নুর আহমেদ আনোয়ারীর হাত ধরে জামায়াতে ইসলামে যোগ দেন।

নির্বাচনি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নুর আহমেদ আনোয়ারী বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশা করে আসছে। নৈতিকতা ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির মাধ্যমেই সেই প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব।


তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে যুক্ত হওয়া জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক শান্তি ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িপাল্লা মার্কার পক্ষে কাজ করতে হবে।

নতুন যোগদানকারী নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার দ্বারা তারা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হয়েছেন। পালংখালী ইউনিয়নে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও চাপ প্রয়োগের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। এসব কারণেই তারা নতুন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমির ও জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষ চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও হয়রানিমুক্ত রাজনীতি চায়। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকেই মানুষ স্বেচ্ছায় জামায়াতে ইসলামে যোগ দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত এক ভিডিও বক্তব্যে দাবি করেন, “যারা জামায়াতে যোগদান করেছে, তারা কেউই বিএনপির নেতাকর্মী নয়।

এই বিভাগের আরও খবর

সারাদেশ

News Image

ফিলাডেলফিয়ায় বৈশাখী মেলা

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়ায় বিএনপির দুই পক্ষের হট্টগোল

নিরাপত্তার অজুহাতে মোদির বাসভবনের পাশ থেকে ৭০০ পরিবারকে সরে যাওয়ার নির্দেশ

ছয় মাসে চট্টগ্রামে বন্ধ ৫০ কারখানা, কারণ কী

বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম

লালমনিরহাটে কৃষকদের ধাওয়ায় শর্টগান-ওয়াকিটকি ফেলে পালাল বিএসএফ

বাংলাদেশকে ১০০-তে ৮০ দিলেন হাসান মাহমুদ

এক মাসের ব্যবধানে গোবিপ্রবি ভিসিকে সরিয়ে আরেক বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া হলো

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

সর্বাধিক পঠিত

রমজানে অনলাইনে কুরআন শেখানোর উদ্যোগ শায়খ আহমাদুল্লাহর

ঝিনাইদহে স্বতন্ত্র ও ধানের শীষ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

আমার মেয়ে বুকের বাঁ পাশে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়

ইসলাম কোনো ধর্মের ওপর জোরপূর্বক কিছু চাপিয়ে দেয় না: দেলাওয়ার হোসেন

সদ্য বিএনপিতে যোগদান করা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দেশীয় অস্ত্রসহ আটক

বান্দরবানে গোলাগুলিতে নিহত ১

হাদি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল

সাত বিভাগে সমাবেশ ঘোষণা জামায়াতসহ ১১ দলের

জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত স্বৈরাচারী সরকার দায়ী : তথ্যমন্ত্রী

চাইনিজ কুঁড়াল-রাম দাসহ যৌথ বাহিনীর হাতে আটক বিএনপি নেতা