ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী নেত্রীরা সরাসরি সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন দলটির নারী নেত্রী হাবিবা চৌধুরী।
নারীদের ওপর হামলা ও বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে জামায়াতের নারী শাখার একটি প্রতিনিধিদল। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের নারী নেতৃত্ব প্রকাশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এমন বৈঠকে অংশ নিল।
এ সময় জামায়াতের মহিলা বিভাগের সদস্য হাবিবা চৌধুরী সুইট বলেন, ‘আমরা লোকাল ইলেকশনে নারী প্রার্থী দিচ্ছি, এটা প্রমাণিত। পরবর্তী সময়ে নারীরা সংসদ ভোটে সরাসরি লড়াই করবেন।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বৈঠকে বসে দলটি। এ সময় প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে নারীদের ওপরে হামলার ডকুমেন্টস এবং ভিডিও ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্মান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী শাখার সদস্য মারজিয়া বেগম ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সদস্য ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ওলিউল্লাহ নোমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে জামায়াতের নারী নেত্রীরা বলেন, ভোটের প্রচারে গিয়ে দলটির নারী সদস্যরা আক্রমণের শিকার হন। নারী কর্মীরা যখন ভোটের প্রচারণায় যাচ্ছেন তখন একদল লোক হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন নারীরা। সাইবার সিকিউরিটি আইনে প্রস্তুতি নিয়েছি।
এ ধরনের কার্যক্রম এবং দলের শীর্ষ নেতার আইডি হ্যাক করে কুরুচিপূর্ণ ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করা হচ্ছে। যারা এ কাজে জড়িত তাদের খোঁজ নিয়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে জামায়াতের এই নারী নেত্রীরা বলেন, আমরা সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। এটি জাতিরও প্রত্যাশা। দুটো নির্বাচন একসঙ্গে হচ্ছে। এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
একটা ইতিবাচক নির্বাচন আমাদের প্রত্যাশা।
জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা বলেন, ‘নারীরা জামায়াতের আমির হতে পারবেন না। আমরা একটা ইসলামী দল। আসলে পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়ে আমরা রাজনীতিতে এসেছি।’
হাবিবা চৌধুরী সুইট বলেন, ‘আমরা লোকাল ইলেকশনে নারী প্রার্থী দিচ্ছি, এটা কিন্তু প্রমাণিত। পরবর্তীতে নারীরাও জামায়াতের ভালো পদে আসবেন। পরবর্তী সময়ে নারীরা সংসদ ভোটে সরাসরি লড়াই করবেন।’







