শাকসু নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করার ঘোষণা বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের

Post Image

শিক্ষকদের একটা অংশের পক্ষ থেকে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়েছে। ষড়যন্ত্রের তির বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের দিকে করা হয়েছে। এখন আমরা এই নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করলে আবার অভিযোগ করবে। এ কারণে আমরা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী শিক্ষকেরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করার ঘোষণা দিচ্ছি। আমরা অন্য শিক্ষকদেরও দায়িত্ব পালন না করার আহ্বান করছি।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) শাবিপ্রবির সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দীন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা এখানে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকেরা এখানে আছি। শাবিপ্রবির নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও সবার অংশগ্রহণে হয়, সে জন্য চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি।’

৫ আগস্টের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা হল দখল করা হলো। হলে ওঠার জন্য একটা নীতিমালা তৈরি করে আবার তারাই সেই নীতিমালা বাতিল করে দিয়েছে। ইউটিএলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলো, নির্বাচন বন্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

এখন নির্বাচন বন্ধে তাহলে শিক্ষকদের একটা অংশই ষড়যন্ত্র করছে— আমাদের এই ট্যাগিং দেওয়া হয়েছে। আমরা যদি নির্বাচন পরিচালনা করি, তাহলে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের দোষ দেওয়া হবে।

অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দীন বলেন, ইলেকশন কমিশন গঠন হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তন হয়েছে। ভিসি মহোদয় এককভাবে তারিখ ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছে। ভিসি মহোদয় ১৫ জনের নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। বিএনপিপন্থি শিক্ষকেরা নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি দেই নাই।

তিনি আরও বলেন, গত ৫ তারিখ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটা চিঠি আসে। নির্বাচন স্থগিত করতে অনুরোধ করা হয়। এই চিঠির বিষয়ে আমরা শিক্ষকেরা জানি না। আমরা আশা করছিলাম ভিসি মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

কিন্তু ভিসি মহোদয় এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করেননি। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কোনো আলোচনা না করে ভিসি ও ট্রেজারার নির্বাচন কমিশনে গিয়েছেন তাদের একক সিদ্ধান্তে। গত ২৮ বছর বিএনপি ও জামায়াতপন্থি শিক্ষকেরা একসঙ্গে কাজ করেছি।

গত ২৮ তারিখ হঠাৎ করে ইউটিএল সাস্ট চ্যাপ্টার নামে শিক্ষকদের সংগঠন একটা সংবাদ সম্মেলন করেছে। এই সংবাদ সম্মেলনের ভাষা ও বক্তব্য শিক্ষকসুলভ নয় বলে আমরা মনে করি।

ছাত্রদের মধ্যে দুটি গ্রুপ হয়েছে। একটা গ্রুপ নির্বাচনের পক্ষে, অপর গ্রুপ নির্বাচনের বিপক্ষে। এভাবে আন্দোলন করে নির্বাচনের তারিখ আদায় করা সঠিক নয় বলে আমরা মনে করি। মামলার রায় যা-ই হোক না কেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষার্থে এবং সহাবস্থানের জন্য নীরব থাকতে পারিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক ড.ইফতেখার আহমেদ, অধ্যাপক ড. সালমা আক্তার প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর

সারাদেশ

News Image

ফিলাডেলফিয়ায় বৈশাখী মেলা

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

প্রায় ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক

গোপালগঞ্জে ৭ কেজি গাঁজাসহ আটক

ট্রেন থেকে পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন

দেশে ২৮ জনকে পুশ ইনের চেষ্টায় ব্যর্থ ভারত

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যান চলাচল বন্ধ

‘মশা মশার কাজ করছে, মানুষ হিসেবে আপনি আপনার দায়িত্ব পালন করছেন তো?’

রাঙামাটিতে ব্রাজিল সমর্থকদের সেভেন আপ দিলেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা

গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে রাজধানীতে দগ্ধ ৬

সর্বাধিক পঠিত

হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে কঠোর নিরাপত্তা

রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রচারে যাওয়ায় বিএনপির ৬ নেতা বহিষ্কার

ধর্ষণ-হত্যায় জড়িতদের বিচার দাবি জামায়াত আমিরের

এমপি অইলে মাধবপুরে ওয়াজ ফ্রি: তাহেরী

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১

জামায়াতের ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী

‘সুন্দরী মেয়ে দেখে বিয়ে করে বিপদে পড়েছি’

ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান

দুর্নীতির বিরুদ্ধেই হবে জামায়াতের জিহাদ: ডা. তাহের

এমপি আখতারের সফর ঘিরে হারাগাছে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির