শেষ মুহূর্তে গোল করে জয়– রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে বহুল পরিচিত এই দৃশ্য। ২-২ সমতায় থাকা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে গতকাল সেই দৃশ্যের জন্ম দিলেন ফেদে ভালভার্দে। জুড বেলিংহ্যাম ও কিলিয়ান এমবাপের গোলে দুই দফায় সমতায় ফিরলেও লস ব্লাঙ্কোসদের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত এইকে এথেন্সকে ৩-২ ব্যবধানের স্বাদ দিয়ে উয়েফার এই লিগে চার ম্যাচই জিতল রেকর্ড ১৫ বারের শিরোপাধারীরা।
রিয়ালের জন্য গ্রিসের কোনো ক্লাবের মাঠে খেলাটা সুখকর ছিল না। আগের আট ম্যাচে তারা কেবল একটিতে জিতেছিল। এইকে এথেন্সের বিপক্ষেও চার ম্যাচ খেলে কেবল একবার জয় পেয়েছিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। সেই ১৯৮৫ সালে উয়েফা কাপের পর এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এলো আরেকটি জয়। সব বিবেচনায় হয়তো শুরু থেকেই পূর্ণ শক্তির একাদশ সাজিয়েছিলেন হোসে মরিনিয়ো।
দু’বারই আগে গোল হজম করলেও ম্যাচজুড়ে সবমিলিয়ে এগিয়ে ছিল রিয়াল। ৭০ শতাংশ পজেশন আর গোলের লক্ষ্যে থাকা ৮টি শট তাই বলে! এ ছাড়া ঘরের মাঠে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ার আগমুহূর্তে লাল কার্ড দেখে এর আগে পঞ্চম মিনিটে ম্যাচে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় স্বাগতিক এইকে এথেন্স। ছয় গজ বক্স থেকে নেওয়া শট পা দিয়ে আটকেছেন রিয়ালের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। প্রথমবার পরাস্ত হওয়ার পর মিনিট সাতেক পর আবুবাকারি কইটার গোলে এথেন্সের ক্লাবটি লিড নেয়। মার্ক কুকুরেয়াকে কাটিয়ে তিনি জোরালো শট নেন কাছের পোস্ট দিয়ে।
খানিক বাদেই আবারও রিয়ালের রক্ষণে হানা, কোর্তোয়া ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটি ঠেকান। রিয়াল তখনও নিজেদের ছন্দ খুঁজে ফিরছিল। একটু গুছিয়ে নেওয়ার পর ২৮ মিনিটে বেলিংহাম বল জালে জড়ান ঠিকই, তবে অফসাইডে ছিলেন তিনি। তবে এই ইংলিশ তারকাই দলকে সমতায় ফেরান চার মিনিট পর। কুকুরেয়ার পাস পেয়ে ‘নো লুক’ ফ্লিকে বেলিংহাম এইকে এথেন্স গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।







