জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চ খুলনা বিভাগের মানুষ প্রত্যাখ্যান করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, শনিবারের (৩১ অক্টোবর) কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তেমন কোনো আগ্রহ নেই। লংমার্চে সাধারণ মানুষ অংশ নেবে না বলেও মনে করেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের ঐতিহাসিক পুরাতন ডিসি কোর্ট মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
জামায়াতের লংমার্চের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, দলটি দাবি করে, তারা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না। অথচ তাদের লংমার্চে গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা রাখা হয়নি, এমনকি সেখানে কর্মসূচির বিরতিও নেই। এ কারণে মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, জামায়াত কি এখনো আওয়ামী লীগকে ভয় পায়? নৈতিক সাহস থাকলে গোপালগঞ্জে গিয়ে পথসভা করে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আগের গোপালগঞ্জমুখী লংমার্চের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, ওই কর্মসূচিতে হামলার পর সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করেছিল। তাহলে জামায়াত কেন গোপালগঞ্জে যাচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
খুলনা বিভাগকে অতীতে একটি বিশেষ দলের ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। তবে সময় বদলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খুলনার মানুষ কোনো অপকৌশল মেনে নেবে না। আগামী ৩১ অক্টোবরের কর্মসূচিতেও জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করবে এই অঞ্চলের মানুষ।
ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে জামায়াতের পরাজয়ের প্রসঙ্গ তুলে দলটির সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াতের ‘জান্নাতে যাওয়ার টিকিট’ এখন আর কাজ করছে না। ওই নির্বাচন ঘিরে দলটি ব্যাপক প্রচার চালিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আসনটিকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগের ভোটারবিহীন নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জয়ী হয়েছিলেন।
এ সময় বিমানবাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তার দাবি, ওই মৃত্যুর ঘটনায় আওয়ামী লীগসংশ্লিষ্ট মহলে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। ঘটনাটির গভীর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।







