জুলাই অভ্যুত্থানের রাজপথে রক্তক্ষয়ী প্রতিরোধ এবং দীর্ঘ ত্যাগী রাজনৈতিক লড়াইয়ের কারণে সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বের রেসে শীর্ষে উঠে এসেছেন ছাত্রনেতা হামদে রাব্বি আকরাম। আগামী কমিটিতে সভাপতি পদ নিয়ে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মাঝে এখন তার নামই সবচেয়ে বেশি চর্চিত হচ্ছে।
বিগত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে নানা মিথ্যা মামলা, কারাভোগ ও গুমের শিকার হওয়া এই ছাত্রনেতা ২০২৪-এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনেও সামনের সারিতে ছিলেন। আন্দোলনে সোচ্চার থাকা অবস্থায় তিনি গুলিবিদ্ধ ও মারাত্মক আহত হন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাত্র-জনতার অধিকার আদায়ের সেই সাহসী ভূমিকা সাধারণ শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের কাছে তাকে আলাদা এক পরিচিতি এনে দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, হামদে রাব্বি আকরাম দীর্ঘদিন ধরে তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি এর আগে তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির অত্যন্ত সক্রিয় যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজপথের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার ধারাবাহিক উপস্থিতি তাকে কলেজ শাখার একজন পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সম্প্রতি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করার পর থেকে কলেজ ক্যাম্পাসে নতুন কমিটি গঠনের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সাধারণ নেতাকর্মী ও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা সমীকরণ। এই নতুন কমিটিতে সভাপতি বা শীর্ষ পদের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় হামদে রাব্বি আকরামের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে তিতুমীর কলেজের সাধারণ ছাত্র ও ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়, যারা দুর্দিনে রাজপথে থেকে আন্দোলনকে টিকিয়ে রেখেছিলেন এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ত ঝরিয়েছেন, নতুন নেতৃত্বে তাদের মূল্যায়ন করা উচিত। সেই দিক থেকে হামদে রাব্বি আকরামের মতো ত্যাগী ও আহত নেতার হাতে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের দায়িত্ব দেওয়া হলে সংগঠনের গতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন তারা।







