নূরকে মারধরের সময় অনেকে বলেছিলেন, তিনি নাকি ইচ্ছা করেই মার খেয়েছেন, এমনকি এটিকে তাঁর স্বভাব বলেও মন্তব্য করেছিলেন অনেকে। তবে সেই সময় সব কিছু উপেক্ষা করে রাত ১২টায় হাসপাতালে নূরকে দেখতে ছুটে গিয়েছিলেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদি। একই সঙ্গে ওই হামলার বিচার দাবিতে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি।
শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা তুলে ধরেন শরীফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি।
পোস্টে মাসুমা হাদি লেখেন, “নূরকে পেটানোর সময় অনেকেই বলত, ইচ্ছা করেই মার খায়—এটাই নাকি তার স্বভাব।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে নূরকে মারধরের ঘটনার সময় নানা ধরনের মন্তব্য ও গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে সেসব কথায় কান না দিয়ে ওসমান হাদি হাসপাতালে নূরকে দেখতে গিয়েছিলেন এবং হামলার বিচার দাবি করেছিলেন।
মাসুমা হাদি তাঁর পোস্টে নূরের বর্তমান অবস্থানের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, “ওসমান হাদি শহীদ হয়েছেন। নূর প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। এখন তো নূরের টাকা-পয়সার সমস্যা থাকার কথা না!”
নূরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাব দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি লেখাটি লেখেননি বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন মাসুমা হাদি। তাঁর ভাষ্য, নূর এমন কেউ নন যে তাঁর প্রতিটি কথার জবাব দিতে হবে। বরং তাঁর লেখার মূল বক্তব্য হলো—কার কবর কোথায় হবে, তা আল্লাহ নির্ধারণ করেন এবং মানুষের কর্মের ওপরই তার পরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
মাসুমা হাদি আরও লেখেন, ওসমান হাদির কর্মই তাঁকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পাশে জায়গা করে দিয়েছে। তাঁর মতে, ওসমান হাদিকে নিয়ে কথা বলতে হলে বুদ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন।
মাসুমা হাদির এই বক্তব্যে ওসমান হাদির মানবিক ভূমিকা, নূরের প্রতি তাঁর সমর্থন এবং সাম্প্রতিক বক্তব্য ঘিরে তাঁর অবস্থান উঠে এসেছে।







