জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সমালোচনা করে এটিকে ‘গণমানুষের ওপর সরাসরি জুলুম’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ চালাতে না পারলে বলুন। ক্ষমতা আঁকড়ে না থেকে সরে দাঁড়ান। কিন্তু সাধারণ মানুষকে এভাবে প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বিষহ যন্ত্রণার মধ্যে ঠেলে দেবেন না।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাদিক কায়েম বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা চার কার্যদিবস ধরে কমছে। সোমবারও ব্রেন্ট ক্রুড ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। এমন সময়ে বিশেষজ্ঞ, ভোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কার্যকর পরামর্শ বা গণশুনানি ছাড়াই জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া গণমানুষের ওপর সরাসরি জুলুম।
তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে দেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একদিকে সরকারের লোকজন দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে স্বল্প, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের পকেট কাটছে, অন্যদিকে নানা ধরনের অজুহাত দেখিয়ে সরকার বারবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে মানুষের জীবনযাপন আরও কঠিন করে তুলছে।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিএনপি সরকার যেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য একের পর এক দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ আজ চরম কষ্টে আছে।
গতকাল রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে দেশে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়। সোমবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। নতুন দামে ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা ও অকটেন ১৬৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।







