সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর পরপরই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামিক স্কলার মুফতি আলী হাসান উসামা। তাঁর মতে, তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে দ্রব্যমূল্য আরও বাড়বে, যার চাপ সবচেয়ে বেশি পড়বে নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও বেসরকারি খাতের মানুষের ওপর।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে দ্রব্যমূল্যের ওপর। এতে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আদৌ বাড়বে কি না।
তিনি বলেন, তেল শুধু জ্বালানি নয়, এটি পুরো অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তেলের দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতের ব্যয় বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সেই বাড়তি খরচের বোঝা বহন করতে হয় সাধারণ ভোক্তাকেই।
মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যেই সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, পুরো অর্থনীতির সক্ষমতা না বাড়িয়ে শুধু একটি অংশের আয় বাড়ানো হলে এর সুফল সীমিত থাকতে পারে।
মুফতি আলী হাসান উসামার ভাষ্য, সরকারি খাতের একাংশের বেতন বাড়লেও দেশের বিশাল বেসরকারি খাত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণী একই সময়ে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির চাপে পড়বে। এতে প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা বাড়ার বদলে অনেকের ক্রয়ক্ষমতা আরও কমে যেতে পারে।







