এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে গণতন্ত্র সুরক্ষিত নয়। মানবাধিকার সুরক্ষিত নয়। তিনি নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে বিশ্বাস করি, তিনি শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার হতে পারবেন না। এর বহু আগেই জনগণ রাজপথে রুখে দেবে স্বৈরাচারী প্রবণতাকে।
মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ আইনকে দুর্বল করা, এসআরবি আইনের নামে র্যাবকে বহাল রাখা এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনীর প্রতিবাদে শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানববন্ধনে এসব কথা বলেছেন বিরোধী দলীয় চিফহুইপ নাহিদ ইসলাম।
ভিন্নমত দমন করা হচ্ছে অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাগেরহাটের মোংলার মিরাজ শেখ কোথায়? পাঁচ মাস তাঁর খোঁজ নেই। গাজী সালাউদ্দিন তানভীর হাসপাতালে ভর্তি। তিনি তারেক রহমানকে নিয়ে যে কথা বলেছিলেন, এনসিপি তা সমর্থন না করে বহিষ্কার করে। কিন্তু তানভীর যে কথা বলেছিলেন, তা কি সন্ত্রাস? তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে? গাজীপুরের সিফাতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিম বানানো কি সন্ত্রাস? কটূক্তি করা কি সন্ত্রাস?
সরকারের সমালোচনা করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেছেন, গুম প্রতিরোধ আইনে এমন বিধান রাখা হয়েছে, যেখানে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ হলে শাস্তি হবে। ফলে কেউ অভিযোগ করতে সাহস পাবে না। বিএনপি আগে গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাইত, জাতিসংঘকে চাইত। আর এখন তারা এক বাহিনী গুম করলে অন্য বাহিনী দিয়ে তদন্ত করাতে চাচ্ছে। মানে গুমের বিচার হবে না। অবিলম্বে আইন সংশোধন করুন। গুমের তদন্তের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে। সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনের নামে মতপ্রকাশের অধিকারকে হরণ না করা নিশ্চিত করতে হবে।
সাবেক উপদেষ্টা এবং এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে, তাকে হাস্যকর আখ্যা দিয়েছেন নাহিদ। তিনি বলেছেন, দুদক পুনর্গঠন না করে এনসিপিকে টার্গেট করেছেন। বিরোধী দলকে টার্গেট করা হয়েছে। যদি সাহস থাকে তাহলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করুন। আগে রাস্তায় ইট পাথরের সঙ্গে দুর্নীতি করেছেন। এখন মহিষ ঘাস খাওয়া থেকে চাঁদাবাজি করছেন।







