অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাহিদের না থাকা বাংলাদেশের বড় ক্ষতি: সাকিব

Post Image

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে পূর্ণশক্তির দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। অনেকের মতে এটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে বাড়তে থাকা মর্যাদার স্বীকৃতি। তবে সাকিব আল হাসানের ব্যাখ্যা ভিন্ন। সাবেক এই অধিনায়কের মতে, অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্টের হিসাব। একই সঙ্গে নাহিদ রানার অনুপস্থিতিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ধাক্কা বলেও মনে করছেন তিনি।

আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজকে সামনে রেখে শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে স্বাগতিকরা। প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড, নাথান লায়নসহ প্রায় সব অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই আছেন অস্ট্রেলিয়ার দলে। উপমহাদেশের বিপক্ষে সিরিজে নিয়মিত বিরতিতে তারকা ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেয়ার নজির থাকলেও এবার সে পথে হাঁটেনি তারা।

অস্ট্রেলিয়ার এমন সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে উন্নতির প্রতিফলন হিসেবে দেখেছিলেন জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে ভারতের ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম রেভস্পোর্টসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

 এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলগুলো টেস্ট ক্রিকেটকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তারা কোথায় খেলছে বা কার বিপক্ষে খেলছে, সেটির চেয়ে নিজেদের সেরা দল নিয়ে মাঠে নামাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই তারা পূর্ণশক্তির দল ঘোষণা করেছে দেখে আমি মোটেও অবাক হইনি।’

সাকিবের মতে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপই অস্ট্রেলিয়ার পূর্ণশক্তির দল ঘোষণার সবচেয়ে বড় কারণ। এই সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। তাই তারা গুরুত্বপূর্ণ কোনো পয়েন্ট হারাতে চায় না। তাদের সব ক্রিকেটারই পর্যাপ্ত বিশ্রামে আছে। তাই সহজেই সেরা দল নিয়ে খেলতে পারছে।’

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা হিসেবে নাহিদ রানার অনুপস্থিতির কথাও তুলে ধরেন সাকিব। তার ভাষ্য, ‘এই সিরিজে বাংলাদেশের জন্য এর চেয়ে বড় ধাক্কা আর হতে পারে না। আমার মনে হয়, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররাও তার বিপক্ষে খেলতে মুখিয়ে ছিল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাকে মোকাবিলা করা তাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হতো। তাই নাহিদের না থাকা বাংলাদেশের জন্য বড় ক্ষতি।’

১৭ বছর পর ঐতিহাসিক লর্ডসে বাংলাদেশের টেস্ট খেলার প্রসঙ্গও উঠে আসে সাক্ষাৎকারে। বিষয়টিকে দেশের ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাকিব।

 এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘লর্ডসের মতো ঐতিহাসিক ভেন্যুতে যত বেশি খেলতে পারব, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ততই ভালো হবে। ভবিষ্যতে এমন সুযোগ পাবো আশা করি।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের এই সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৫–২০২৭ চক্রের অংশ। তাই শুরু থেকেই কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না অস্ট্রেলিয়া। ডারউইনে ১৩ আগস্ট শুরু হবে প্রথম টেস্ট। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বশেষ ২০০৩ সালে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। দুই দশকের বেশি সময় পর আবারও সেখানে লাল বলের ক্রিকেট খেলতে নামার অপেক্ষায় টাইগাররা।

সর্বশেষ খবর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাহিদের না থাকা বাংলাদেশের বড় ক্ষতি: সাকিব

নাম বদলাতে বাধ্য হচ্ছেন বিশ্বকাপ কাঁপানো ‘ভোজিনহা’

অতীত নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই সাকিবের

এবার টিভি সিরিজে অভিনয় করবেন রোনালদো

‘বিশ্বকাপে না খেলা ছিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত’, মুখ খুললেন মিরাজ

রাজনৈতিক কারণে বিশ্বকাপ খেলতে পারিনি: মিরাজ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, ফিরলেন সৌম্য ও জাকের আলী