মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অবিস্মরণীয় এক বিশ্বরেকর্ড হাতছানি দিয়ে ডাকছিল বাংলাদশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। সেঞ্চুরি করলেই সে কীর্তিটা ছোঁয়া হয়ে যেত তার। তবে ৮৭ রানে আউট হয়ে সে বিশ্বরেকর্ডটা আর গড়া হলো না তার।
টেস্ট ক্রিকেটে এই কীর্তির সূচনা হয়েছিল ১৯০৯ সালে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ওয়ারেন বার্ডসলে ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১৩৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩০ রান করেছিলেন।
এই টেস্টের আগে শান্ত দুইবার গড়েছিলেন এই কীর্তি। ২০২৩ সালের জুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। এরপর গেল বছর শ্রীলঙ্কায় আবারও এই কীর্তি গড়েন তিনি। দুইবারের বেশি এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন মোট ১৫ জন ব্যাটসম্যান, তাতে সবশেষ সংযোজন হয় শান্তর নাম।
আজ পঞ্চম দিনে মনে হচ্ছিল তৃতীয় বারের মতো এই কীর্তিটা বুঝি গড়া হয়েই যাচ্ছে তার। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও এগোচ্ছিলেন তিন অঙ্কের দিকে। বিপত্তিটা বাধল নোমান আলীর বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে। বলের ফ্লাইট মিস করে বসেন, তা গিয়ে আঘাত হানে প্যাডে; এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার, রিভিউ নিয়েও কাজ হয়নি।
আজ সেঞ্চুরি পেয়ে গেলে শান্ত বনে যেতেন সুনীল গাভাস্কার, রিকি পন্টিং আর ডেভিড ওয়ার্নারের পর তৃতীয় ব্যাটার যিনি টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছেন তিনটি ভিন্ন ম্যাচে। ছুঁয়ে ফেলতেন বিশ্বরেকর্ডটা।
তবে তার সুযোগটা শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ফিট থাকলে চলতি বছর আরও ৫টি টেস্ট পাবেন। পাকিস্তান সিরিজের একটি ম্যাচ এখনও বাকি। অস্ট্রেলিয়ায় দুটো আর দক্ষিণ আফ্রিকায় আরও ২ ম্যাচ। যে ফর্মে খেলছেন, কে জানে চলতি বছরই রেকর্ডটা ভেঙে দেন কি না!







