ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিমেল জোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও বামপন্থিদের একাংশের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দিন। তিনি দাবি করেন, গত কয়েকদিন ধরে এ ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল বিতর্ক হয়েছে। এ সময় নানা যুক্তি ও পাল্টা যুক্তির পাশাপাশি কেউ কেউ পর্দানশীন নারী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পোশাক, আচরণ এবং ইসলাম নিয়েও কটাক্ষ করেছেন।
রায়হান উদ্দিন মন্তব্য করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেও সংশ্লিষ্টদের একাংশ উগ্র, সাম্প্রদায়িক ও অসহিষ্ণু মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন। তার ভাষ্য, এই সাম্প্রদায়িক আচরণকে প্রগতির খোলসে উপস্থাপনের চেষ্টাও করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বামপন্থিদের এই অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িকতা নতুন নয়। তবে ছাত্রদলের যে অংশ তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবিবেচকের মতো কাজ করেছে, তাদের এখনো সতর্ক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তার দাবি, বামপন্থিদের ফাঁদে পড়লে তারা দ্রুত রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
রায়হান উদ্দিন আরও দাবি করেন, যাদের মধ্যে ন্যূনতম পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের মানসিকতা নেই, তাদের সঙ্গে সহাবস্থান নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। তার মতে, এ ধরনের উগ্রতা ধারাবাহিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তচিন্তার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, বাংলাদেশকে তার নিজস্ব পরিচয়ে গড়ে তুলতে হবে। যারা বাংলাদেশকে ভারতের সাবলেট কলোনিতে পরিণত করতে চায় এবং এ অঞ্চলের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে কটাক্ষ করে ইসলামোফোবিয়া বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
টিএসসি প্রসঙ্গে রায়হান উদ্দিন মন্তব্য করেন, "টিএসসিকে বিড়ি টানার জায়গা বানিয়ে যারা মুসলিমদের 'পর্দা করে সেখানে যাওয়ার দরকার কী' প্রশ্ন করে, তাদের এই সাম্প্রদায়িক কবল থেকে টিএসসিকে স্বাধীন করতে হবে। টিএসসিকে সকল শিক্ষার্থীর জন্য নিরাপদ বানাতে হবে।







